সোনাইচন্ডী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইতিহাস দেশের অন্যতম প্রসিদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১ জানুয়ারী ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠানটি “সোনাইচন্ডী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ” নামে মাধ্যমিক স্কুল হিসেবে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি চালু করা হয়। এরই মধ্যে সোনাইচন্ডী স্কুলকে “সোনাইচন্ডী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়” হিসেবে নামকরণ করা হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টি শিক্ষা অধিদপ্তর, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নিয়মানুযা ৬ষ্ঠ শ্রেণি হতে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এখানে সহপাঠ কার্যক্রম চালু আছে। বিদ্যালয়টি শিক্ষা পদ্ধতি ও শৃঙ্খলার জন্য সুপরিচিত ও সুপ্রতিষ্ঠিত। দীর্ঘ পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতিষ্ঠানটি বহু প্রতিভার জন্ম দিয়েছে যাঁরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বনামধন্য হয়েছেন। কর্মচারীবৃন্দের সন্তানদের শিক্ষা সমস্যা দূর করার লক্ষ্যে স্কুলের প্রয়োজনীয়তা সকলেই অনুভব করলেন। স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে নিয়োগ পান। স্কুল প্রতিষ্ঠার এই কাজটি ছিল অত্যান্ত সাহসী পদক্ষেপ। এই পর্যায়ে স্কুলটির একটি সার্থক নাম ছিল। ব্যবহারের সুবিধা দেয়া হয়। ইতিমধ্যে বর্তমান স্কুল ভবনের জমিটি স্কুল কর্তৃপক্ষের জন্য বরাদ্দ দেয়। এভাবেই ১ জানুয়ারী ১৯৯৪ সালের প্রতিষ্ঠতি হয়ে রূপান্তরিত হয়েছে।এদিকে ধীরে ধীরে ছাত্রীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। ১৯৯৪ সালের মধ্যে দু’টি একতলা স্কুল ভবন নির্মিত হয়। তাছাড়া নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ এবং পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্কুলের নিজস্ব গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। এসকল অর্জন সম্ভব হয়েছে কর্তৃপক্ষের সুনিপুণ পরিকল্পনা ও দূরদৃষ্টির জন্য। ১৯৯৪ সাল থেকে অদ্যবধি প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রধান, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মকর্তা-কর্মচারিগণের অবদান, ত্যাগ ও সহযোগিতা স্কুলের ইতিহাসে চিরভাস্কর হয়ে থাকবে।